৩-৭ দিনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আসে, তবে ফল পেতে শুরু করুন আজই
ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র নিয়ন্ত্রক এবং ইনসুলিন নিঃস্বরণ কারক, রক্তে সুগারের মাত্রা কমায়, বিটাসেলকে রক্ষা করে ও পুনরুজ্জীবিত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে কেন ডি-কিউর সেবন করবেন?
মাত্র ১-২ সপ্তাহের মধ্যে বাজারের ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দিতে পারবেন
ঘন ঘন প্রস্রাব ও চোখে ঝাঁপসা দেখা সমস্যা দূর করে
হার্ট এ্যাটাাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় এবং ধীরে ধীরে শরীরকে ডায়াবেটিস এর প্রভাব মুক্ত করে তোলে
বিশেষ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
ফলে আপনি উপভোগ করবেন সম্পূর্ন সুস্থ্য ও আনন্দময় জীবন।
১টি পটে মোট ৮০টি ক্যাপসুল রয়েছে। যা মাত্রা অনুযায়ী সেবন করতে পারবেন ৪০ থেকে ৮০ দিন।
শরীরে নতুন বিটাকোষ তৈরি করে এবং পর্যাপ্ত পরিমান ইনসুলিন উৎপাদন করে।
সরকার অনুমোদিত ও শতভাগ ভেষজ উপাদানে তৈরি তাই কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
৩ -৭ দিন ব্যবহারে চমৎকার ফলাফল পাবেন।
সারাদেশে ডেলিভারি চার্য ৬০ টাকা
উপাদান সমূহঃ
ভেষজ নাম পরিমান
গুরমার বুটি ১৩৫ মিঃ গ্রাঃ
সত্তে গেলু ৯০ মিঃ গ্রাঃ
রিউচিনি ৬৭.৫০ মিঃ গ্রাঃ
জামবীজের শাঁস ৯০ মিঃ গ্রাঃ
কুশতা ফাওলাদ ৬৭.৫০ মিঃ গ্রাঃ
শুঁঠ ২২.৫০ মিঃ গ্রাঃ
অন্যান্য সহায়ক উপাদান পরিমান মতো
( বাংলাদেশ জাতীয় ইউনানি ফর্মূলায় তৈরি-উৎপাদন লাইসেন্স নং -ইউ-৩০৮ )
মাত্রা ও সেবনবিধিঃ
আহারের ৩০ মিনিটি আগে সেবন করবেন।
সুগার ৬-৮ মিলিমোল – সকালে ও রাতে ১ টি করে
সুগার ৯-১২ মিলিমোল- সকাল দুপুর ও রাতে ১ টি করে
সুগার ১৩-১৯ মিলিমোল- সকাল দুপুর ও রাতে ২+১+২ টি করে
সুগার ২০+ হলে ২+২+২ প্রথম ১ সপ্তাহ পর্যন্ত (সুগার কমলে ডোজ ধীরে ধীরে কমতে থাকবে)
আপনি যদি ইনসুলিন নিয়ে থাকেন তাহলে ৭ দিন পর থেকে েইনসুলিনের মাত্রা ধীরে ধীরে কমিয়ে দিন।
প্রতিদিন একই সময়ে ঔষুধ সেবন করবেন, কোনদিন ঔষুধ খেতে ভুল হলে ডাবল ডোজ খাবেন না।
অবশ্যই চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন এবং ৬-৭ ঘন্টা ঘুমাবেন।
সঠিক নিয়ম অনুসরণ এবং সৃষ্টিকর্তার ইবাদাত মানুষকে সুস্থ্যরাখতে সাহায্য করে।